
কীভাবে জ্বালানি তৈরি হচ্ছে-
১. প্রথমে পানিকে তাপ দিয়ে বাষ্পীভূত করা হয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় পানিকে ভেঙে এর হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন আলাদা করা হয়।
২. এরপর আরও দুটি প্রক্রিয়া শেষে এই হাইড্রোজেনকে সিনথেসিস রিঅ্যাক্টরে উচ্চ তাপ ও চাপে বিক্রিয়া ঘটানো হয়। এতে হাইড্রোকার্বন যৌগ তৈরি হয় যাকে বলা হয় ব্লু ক্রুড। এই ব্লু ক্রুডকে রিফাইন করেই ই-ডিজেল উৎপন্ন হয় যা কৃত্রিম জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এই জ্বালানি সালফার ও অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন মুক্ত।
ডিজেল ছাড়াও ই-গ্যাসোলিন নামে কৃত্রিম পেট্রোলও তৈরি করছে অওডি।
১. প্রথমে পানিকে তাপ দিয়ে বাষ্পীভূত করা হয় এবং উচ্চ তাপমাত্রায় পানিকে ভেঙে এর হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন আলাদা করা হয়।
২. এরপর আরও দুটি প্রক্রিয়া শেষে এই হাইড্রোজেনকে সিনথেসিস রিঅ্যাক্টরে উচ্চ তাপ ও চাপে বিক্রিয়া ঘটানো হয়। এতে হাইড্রোকার্বন যৌগ তৈরি হয় যাকে বলা হয় ব্লু ক্রুড। এই ব্লু ক্রুডকে রিফাইন করেই ই-ডিজেল উৎপন্ন হয় যা কৃত্রিম জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এই জ্বালানি সালফার ও অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন মুক্ত।
ডিজেল ছাড়াও ই-গ্যাসোলিন নামে কৃত্রিম পেট্রোলও তৈরি করছে অওডি।
Post a Comment